তাছাদ্দুক হোসেনের তিনটি ছড়া

যত্ন নে

ক্লান্ত বড় চাই জিরোতে
জলচকিতে বসতে দে,
ঘেমেই রোদে একসারা গা
তালের পাখা হস্তে দে।
আরাম করে দীঘির জলে
একটুখানি নাইতে দে,
এলিয়ে দেহ আরাম করে
কণ্ঠ ছেড়ে গাইতে দে।
পাখপাখালি মুখ বাড়ালো
ফুলকলিরা আসছে রে
শিশিরকণা দুর্বা ডগা
তাজা সবুজ ঘাস ছেড়ে।
চিনতে কি রে পারলি না রে!
মুক্তা হীরা রত্নকে,
বাংলা আমি বর্ণমালা
আদর করে যত্ন নে।
( ৩/১ করপোরেশন রোড,ময়মনসিংহ
০৪/০২/২০২১)

ভীতুর ডিম
আড়শোলাতে কম্মকাবার
সিংহ বাঘে শরীর হিম
ঘাড় উঁচিয়ে বলছো কথা
আস্ত গোটা ভীতুর ডিম।
চামচিকেতো নয়কো পাখি
ছাড়পোকা নয় শঙখ চিল
উঁইপোকা কূট কাটছে পাতা
ছড়ায় সাজায় অন্ত্যমিল।
শিখতে সাঁতার পিছ পা হটো
সাইকেলে বা খেলতে বল
মায়ের কোলে সেটেই থাকো
বহাও চোখে নোনতা জল।
কাচকলাতেই খুবছে খুশি
খোকন সোনা বলছে কী,
আম্মু আমি লড়াকু এক
যোদ্ধা হবো নয় মেকি!
( জয়নুল উদ্যান থেকে ময়মনসিংহ
জিলা স্কুল, ৩১/০১/২০২০)

দাহ‍্য
ওরে বোকা কথা শোন
এতো রেগে যাস নে,
রাগলি তো হেরে গেলি!
শখে ধরা খাস নে।
চোখ কান খোলা রেখে
চল্ না,
হারবার আগে ভাবো
হারবো কি হেরে যাবো
সিনা টান রেখে কথা
বল্ না।
মুণ্ডুটা কুল থাক
গোলা নয় ফুল থাক
দুহাতে,
রোষতাপ হবে না কো
পোহাতে।
মনে গড়ি সুখে ছাওয়া
রাজ‍্য,
শোক দুখ হোক দাহে
দাহ‍্য।
(৩/১ করপোরেশন রোড,ময়মনসিংহ
২৩/০১/২০২১)

মন্তব্য করুন